> এক পশলা বৃষ্টি আর সে পর্ব ২৫, ২৬ | দুঃখের গল্প | বিরহের গল্প | Sad Story | Bangla Story
-->

এক পশলা বৃষ্টি আর সে পর্ব ২৫, ২৬ | দুঃখের গল্প | বিরহের গল্প | Sad Story | Bangla Story

৪৫
,
,
,
ওনাকে দেখে যেনো আমার কষ্ট আরও বহুগুণে বেড়ে গেছে.....  চোখের কোনা বেয়ে উপচে পানি পড়ছে....আমার গায়ে হাত ঠেকিয়ে কিছুটা শিউরে উঠলেন.... 
,
,
,
--------- এএএএই মেয়ে কখন থেকে এতো জ্বর...  ডাকলে না কেনোওঅঅ...
,
,
,

ওনার কথা গুলো কেমন যেনো জ্বড়িয়ে যাচ্ছে.....হুড়োহুড়ি করে রুম থেকে বেড়িয়ে গিয়ে আম্মুকে নিয়ে ফিরে এলেন....  নিজেকে তখন এতো অসহায় লাগছিলো....  আম্মু আমার পাশে বসে গলায় কপালে হাত ঠেকিয়ে কাধ থেকে কাপড় সড়িয়ে কাধে পিঠে পেটে কি যেন দেখতে লাগলেন.....
,
,
,
--------- এগুলো তো জল বসন্ত..... কিরে টুকি.... আগে কি তোর কখনো পক্স হয়েছে....??
,
,
,
আমি মাথা নাড়িয়ে মাকে না করলাম..... সারা গায়ের মাংস গুলো জায়গায় জায়গায় যেনো খুচিয়ে খুচিয়ে উঠছে...... চামড়া গুলো যেনো একেবারে  জ্বলে উঠছে........ আম্মু এখনো গায়ে হাত দিয়ে কাপড় সরিয়ে দেখে যাচ্ছে......
,
,
,
--------- টুকি একটু ঘুমুতে চেষ্টা কর তো..... দেখবি মাথাটা হাল্কা লাগবে.... 
,
,
,
আম্মু মাথায় আস্তেধীরে হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন.....  আরাম পেয়ে কখন যেনো ঘুমিয়ে পড়েছিলাম........ হুট করেই একপ্রকার ঘুমটা ভেঙে গেলো .... আস্তে আস্তে উঠে বিছানা ছেড়ে দাড়াতেই চোখে আধার দেখছি যেনো.....  অনেকক্ষণ বিছানায় বসে থেকে তারপর বাথরুমে ঢুকে পড়লাম....  অমনি আম্মু ডাকতে ডাকতে রুমে ঢুকে পড়লো..... 
,
,
,
--------- টুকি সাবধানে গামছা নিঙড়ানো করে পরে গা মুছবি গোসল একদম করা যাবে না........ 
,
,
,
আম্মুর কথা মতন ই ফ্রেশ হয়ে চলে এলাম কিন্তু কাপড়ের ঘষায় জায়গাগুলো যেনো জ্বলে উঠছে.....  বেশিক্ষন হাটতে ও পারি না....  গায়ের প্রতিটা জয়েন্ট এ  ছেয়ে গেছে যেনো.....  সেদিন বিকালে আম্মু কোথথেকে যেনো একটা রংচটা পাতলা মেক্সি হাতে করে নিয়ে এলেন..... 
,
,
,
--------- টুকি শাড়ি খুলে এটা পড়ে নে দেখবি আরাম পাবি....মিন্নির যখন বাচ্চা হয় তখন ওকে কয়েকটা বানিয়ে দিয়েছিলাম......  এটা রেখে গিয়েছিলো.....  আলমারি ঘেটে তোর মাপ মতন সেলাই করে নিয়ে এসেছি একেবারে...... পুরাতন জিনিস দিয়েছি বলে আবার মন খারাপ করিস না.... পাতলা কাপড়ে তোর আরাম হবে বলেই দিয়েছি....
,
,
,
প্রথমে কিছুটা আমতাআমতা করলেও শারীরিক প্রশান্তির কথা ভেবে পড়ে নিয়েছি......আয়নায় নিজেকে দেখতে গিয়ে যেনো ভূত দেখার মতো চমকে ছিলাম......  সারা গায়ে যেনো অভিশাপ ভর করেছে..... নিজের দিকে নিজের ই তাকাতে কেমন যেনো ঘেন্না লাগছে......আম্মু আমার কান্নাকাটি শুনে ছুটে চলে এলেন.... তারপর বেশ কিছুক্ষণ বুঝিয়ে শুনিয়ে এটা সেটা মুখে তুলে দিলেন....... যম ঠাকুর সেদিন অন্যান্য দিন থেকে বেশ জলদিই ফিরে এলেন....... 
,
,
,
কষ্ট হয়তো পাওয়া ঢের বাকি ছিলো......  সেদিন সন্ধ্যায় পিরিয়ড সাইকেল টাও গুনে গুনে সাত দিন পিছিয়ে অন হয়ে গেলো.........  পক্স গুলোর জন্য গরম পানির ছেকা ও নিতে পারলাম না......  সারারাত বিছানায় ছটফট করেছি আর দুমড়েমুচড়ে শেষ হয়েছি...... আমার এই অবস্থা দেখে ওনি ঠিক করে ফেললেন এম্বুলেন্স খবর দিয়ে হাসপাতালে এডমিট করাবে কিন্তু আম্মুই সামলে নিলেন....... পরদিন থেকে ওনি তিনগুণ ভিজিট দিয়ে বাড়িতেই ডাক্তার ডাকালেন আমার যাতে হেটে হেটে কোন কষ্ট না পেতে হয়........ গরমে যেনো কষ্ট না পাই তার জন্য আলাদা করে টেবিল ফ্যান কিনে এনেছেন.... খাবার এর কথা তো বলা বাহুল্য.......  যখন যা বলছি সব দু'হাতে ভরে নিয়ে আসতো....... দুধ,ডিম, হরলিক্স,বাটার কিচ্ছু বাদ যায় নি........  রাতে যখন একসাথে ঘুমুতে যেতাম তখন ওনি কেমন যেনো দূ্রে সরে থাকতেন...... আর আমায় বারবার বলতেন তুমি আরাম করে হাত পা ছড়িয়ে ছিটিয়ে যেভাবে ইচ্ছে ঘুমাও...... কেন যেনো ও কথাখানা শুনে আমার বুকের ভেতর কষ্ট হতো.......  খুব অভিমান হতো ইচ্ছে করতো ছুটে গিয়ে ওনাকে ঝাপি দিয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকি.... পরক্ষণেই নিজের মনের কষ্ট মাটি চাপা দিয়ে শুয়ে থাকি...... মাঝে মাঝে ওনি হাতে গলায় এখানে সেখানে পক্স গুলো দেখতেন......  টান ধরেছে কিনা......এই সময় গুলোতে ওনার সামনে বেশি যেতে চাইতাম না..... কেমন যেনো নোংরা মনে হতো নিজেকে..... অনেকে টা লুকিয়ে লুকিয়ে থাকতাম..... কেন যেনো ওনি আমার দিকে তাকালেই অস্বস্তি হতো......  মনে হতো মরে যাই...... কিন্তু এ তো সাক্ষাৎ যমঠাকুর.....  ওনার থেকে পালিয়ে বাচা তো আমার সাধ্যে নেই......  ঠিক খুজে বের করে নিতেন..... 
,
,
,
--------- এতো হাটাহাটি করছো কেনো তুলি.... গরমে তো ঘামিয়ে যাবা..... এখানটাই বসো....নিজের কষ্ট টাও কি বুঝো না.... আসোতো.....
,
,
,
বলেই টেবিল ফ্যানের দিকে বসিয়ে দিতেন.... ফল ফলদি তো বিছানার পাশের টেবিল টার উপর সব সময় থাকতো.....  চুল ঠিকঠাক করে রাখতাম না বলে আম্মু আর ফুলি খালা মিলে আস্তে আস্তে চুল আচড়ে পরিপাটি করে দিতো..... গামছা দিয়ে গা মুছে দিতো..... গোসল তো করতে পারতাম না....... তারউপর পিরিয়ড........ একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি ওনি নামাজে বসে দুহাত তুলে ফুপিয়ে কেঁদে কেঁদে আমার সুস্থতার আহাজারি করে যাচ্ছেন.......  ওনার শরীরের প্রতিটা কাপুনি  যেন বুকে গিয়ে ঠেকছে আমার...... ইচ্ছে করছে ছুটে গিয়ে ওনার বুকে নিজেকে পিষে ফেলি..... আর জড়িয়ে ধরে বলি
,
,,
,
--------- দেখুন আমি একদম সুস্থ হয়ে গেছি..... আপনি দয়া করে কাদবেন না আমার খুব কষ্ট হচ্ছে....... এভাবে কেউ কাদে বলেন....... 

,
,
,
৪৬
,
,
,
একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে দেখি ওনি নামাজে বসে দুহাত তুলে ফুপিয়ে কেঁদে কেঁদে আমার সুস্থতার আহাজারি করে যাচ্ছেন.......  ওনার শরীরের প্রতিটা কাপুনি  যেন বুকে গিয়ে ঠেকছে আমার...... ইচ্ছে করছে ছুটে গিয়ে ওনার বুকে নিজেকে পিষে ফেলি..... আর জড়িয়ে ধরে বলি
,
,,
,
--------- দেখুন আমি একদম সুস্থ হয়ে গেছি..... আপনি দয়া করে কাদবেন না আমার খুব কষ্ট হচ্ছে....... এভাবে কেউ কাদে বলেন....... 

,
,
,
মনে মনে এসব বলে কষ্ট পেলেও কোথাও যেনো এই কষ্টের সুতোটা কেটে গিয়ে নিজেকে পরম সৌভাগ্যবতী মনে হচ্ছে......  কয়জন মেয়ের এমন ভাগ্য হয় যে সে তার অসুস্থতার জন্য স্বামীর মোনাজাতে অশ্রু হয়ে ঝড়ে......... বাবা ঠিক বলেছিলেন সেদিন.......  মানুষটা কোন হিরে মানিকের থেকে কম না........  এমন একটা মানুষকে কেউ হয়তো বর্ননায় ও চাইতে পারে না..... আমার কোন জন্মের পূন্যের ফল হিসেবে আমি এমন একটা মানুষের সার্নিদ্ধ্য পেয়েছি...... নাহলে তো ওনাকে চাইবার মতো ক্ষমতা ও আমার নাই........মা সবসময় বলতেন --------- যখন উপরওয়ালার কাছে তুমি কোন কিছু চেয়ে না পাও মনে রাখবে সেই জিনিস তোমার জন্য তিনি তৈরীই করেন নি আর যা করেছেন তা তোমার চাহীদার চেয়ে হাজার গুন ভালো........  
,
,
,
ভোর থেকেই খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো....... প্রায় দু'সপ্তাহের ভ্যাপসা গরমের পর এই এক পশলা বৃষ্টির ঘনঘটা ঠিক অমৃতের মতোই দূর্লভ........  জানালা ফুড়ে বৃষ্টি দেখাটা তখন আমার পোষাচ্ছিল না...... তাই গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে গেলাম বারান্দায়......  জানি হাত বাড়ালেও অভিমানীদের ছুতে পারবো না.....  তারপরও বেহায়ার মতোন হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম সেদিন গ্রিল গলিয়ে....... বৃষ্টি ছুতে না পারার কষ্ট টা কেটে গেলো আবছা গায়ে লাগা বৃষ্টির ছাটে...... প্রায় দু'সপ্তাহের উপর হতে চললো আমার গোসলের কোন হদিস নেই...... সেক্ষেত্রে বোঝাই যাচ্ছে বৃষ্টি টা আমার কাছে ঠিক কতটা প্রিয়........  আনমনে বাইরে অভিমানীনিদের ঝড়ে পড়া দেখতে দেখতেই ধাতস্থ হলাম আর নিজেকে পেলাম ওনার কোলে...... স্বজ্ঞানে সেই প্রথম তার কোলে চড়া আমার...... আলতো করে বিছানায় বসিয়ে দিলেন......  মহাশয়ের আজ যে ছুটির দিন আমার তো খেয়াল ই ছিলো না....... জানি ভেতরে ভেতরে খুব রেগে ফেটে পড়ছেন কিন্তু আমাকে দেখাবেন না...... অদ্ভুত রকমের সত্যি টা হলো আজকাল আর ওনি আমাকে বকাবকি করে না...... বিগত তেরো দিনে তাকে আমি খাবার নিয়ে যে কি পরিমাণ জ্বালিয়েছি তা শুধুমাত্র আমি আর তিনিই জানি....... কি জানি তখন কি হতো আমার এক কথা দুবার বললেই মনে হতো ঘ্যানঘ্যান করছে...... ভালো করে কথাও বলতাম না কারো সাথে...... মাঝে মাঝে আম্মু আর ফুলি খালার উপর ও খুব বিরক্ত হয়ে যেতাম......  কিন্তু তারা হতেন না..... একবার তো এমন ও হয়েছে ওনি আস্ত আপেল ধুয়ে নিয়ে এসেছেন আমাকে খেতে দেবার জন্য.....  কারণ কাটা আপেল আমি খেতে পারি না...... আমার কি হলো জানি না ওনার হাত থেকে আপেল টা নিয়ে আমি জানালা দিয়ে ঢিল দিয়ে ফেলে দিয়ে ওনাকে রুম থেকে বের করে দরজার নব লক করে রেখেছি..... তারপর কতক্ষণ নিজেই একা একা বসে কেদেকেটে ঘুমিয়ে পড়েছি...... দরজা খুলেছিলাম ঘুম থেকে উঠে সেই রাত আটটায়...... ভেবেছিলাম হয়তো খুব বকা খাবো কিন্তু ওনি একদম স্বাভাবিক ছিলেন......  রুমে ঢুকে সবার আগে কিসের চাবি খুজে বের নিজের চাবির গোছায় রাখলেন......  এরপর থেকে যতবার রুম থেকে আমাকে ছাড়া বের হতেন ততোবারই অই গোছা সাথে নিতেন..... তার থেকে বেশ বুঝতে পারলাম রুমের চাবি ওটা.......
,
,
,
পক্স গুলো অনেকটা শুকিয়ে এসেছে বলে আম্মু আর ফুলি খালা ডাক্তারের কাছ থেকে কনফার্ম হয়ে নিজেদের যাবতীয় নিয়মকানুন মেনে আমাকে গোছল করালেন...... সেই সাথে আমাদের রুমের বিছানার কভার থেকে শুরু করে জানার পর্দা এমনকি পাপোশ পর্যন্ত বদলিয়ে ফেললেন......... তার সাথে আমার আর ওনার গামছা টা ও নতুন হলো.......  পুরো ঘড় ডেটল আর গরম পানি দিয়ে ফুলি খালা আর ওনি মিলে পরিষ্কার করলেন সাথে আরও একজন মানুষ নিয়ে.......বাড়ির সবাই কাজ নিয়ে ব্যাস্ত আর এদিকে আমি বসে বসে এটা খাই তো সেটা......
,
,
,
পক্স এখনো পুরোপুরি শুকায় নি বলে আম্মু নতুন কাপড়ের কয়েকটা লম্বা ফ্রক বানিয়ে দিলেন পায়ের পাতা পর্যন্ত.......গোছলের পর থেকেই  একটা পড়েছিলাম.......  আয়নায় নিজেকে দেখে পুরাই টাস্কি......খেয়ে খেয়ে গাল দুটো একেবারে টেনিস বল হয়ে গেছে.......  চুল থেকে গামছা খুলে বারান্দায় মেলে দিয়ে রুমে আসতেই ওনি বাথরুম থেকে গোছল সেরে বেরুলেন...... আমার দিকে কিছুটা অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে আয়নার সামনে চলে গেলেন........ 
,
,
,
আমার গোছল করার দিন দুয়েক পর মা এলেন হুট করে হাতভর্তী এটা সেটা নিয়ে...... কয়দিন ধরেই নাকি আমাকে নিয়ে বাজে স্বপ্ন দেখছেন খুব...... সময় করে উঠতে পারছিলো না বলেই সেদিন একেবারে অফিস থেকেই চলে এসেছেন.........  এসে সবকিছু শুনে খুব রাগ করলেন ওনাকে কিছু না জানানোর জন্য........
,
,
,
--------- তুলি বিয়ে দিলে মেয়েরা কেনো এতো পর হয়ে যায় তা আমি হাড়ে হাড়ে আজ বুঝলাম.......  আর কেউ না হোক তুই কি আমাকে একটু জানাতে পারতি না......
,
,
,
মা সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলেন সাথে আমিও.......  মনে হচ্ছিলো যেনো একেকটা কাচের টুকরো থলথলে হৃতপিন্ডে ক্রমশ গেথে যাচ্ছে...... আসকে মাকে যে এ ব্যাপারে জানানো হয় নি তা আমি জানতাম না..... আর ওনারা জানান নি মা খামোখা টেনশন করবেন বিধায়।।।।। মা যাবার আগেই ওনি অফিস থেকে ফিরে এলেন......  তারপর খুব আয়েশ করে শ্বাশুড়ি তার জামাতাকে বকলেন।।।।। জামাতাও খুব ভালো ভাবে শ্বাশুড়ির রাগ ভাঙালেন.......  সেবার মা আমাকে সাথে করে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন আমার ও খুব বাড়ি বাড়ি করছিলো মনটা..... কিন্তু ওনি খুব সুন্দর করে মাকে মানিয়ে  সাত পাঁচ চৌদ্দ দেখিয়ে যাওয়া টা নাকচ করে দিলেন.....রাতে ঘুমুতে গিয়ে মায়ের কথাগুলো ভেবে  খুব খারাপ লাগছিলো...... আসলেই হয়তো খুব স্বার্থপর মানুষ আমি......এসব ভেবে যখন মন খারাপে মশগুল আমি তখন ওনি পেছন  থেকে খুব করে জড়িয়ে ধরে নিজের সাথে মিশিয়ে নিলেন....... 
,
,
,
--------- মন খারাপ.... 
,
,
--------- উঁহু 
,
,
--------- তাহলে কষ্ট হচ্ছে কেনো এখানটায়..... 
,
,
,
ওনার কথাশুনে ওনার দিকে তাকানো মাত্রই ওনি ওনার বুকের বা পাশ টা হাতে ইশারা করলেন......আমি ভ্রু কুচকে তাকাতেই.....
,
,
,
--------- আসলে হেডকোয়ার্টার এ কিছু একটা সমস্যা হয়েছে..... তাই আমার ব্রাঞ্চে ঝামেলা হচ্ছে..... 
,
,
,
আমি ফিক করে দিলাম.....ওনার দিকে ঘুরে স্মিত হেসে বললাম --------- 
,
,
--------- ঝামেলা!!!  আগুন লাগলো কিনা চেক করেন শিগগির...... 
,
,
,
--------- মনে হয় লাঘবে.... বলেই আমাকে ঠিক আগের মতো করে বুকের সাথে পিষে ফেললেন.... 
,
,
--------- উফফফ.... ব্যাথা পাই তো....
,
,
--------- কিচ্ছু করার নাই আগে আগুন নিভানো ফরজ কাজ......
,
,
,
,
,
চলবে...





Writer:- চৈত্র রায়


NEXT ARTICLE Next Post
PREVIOUS ARTICLE Previous Post
NEXT ARTICLE Next Post
PREVIOUS ARTICLE Previous Post
 

Delivered by FeedBurner