মূলত ইতিহাসে "আয়া নিকোলা" ও "আগিওস-নিকোলায়োস" এই নামে দুজন ব্যাক্তি খুজে পাওয়া যায়। কিছু ঐতিহাসিক দাবি করেন যে "আয়া নিকোলা" ছিলেন ইনেগোল দূর্গের টেকফুর আবার কিছু ঐতিহাসিক দাবি করেন যে "আয়া নিকোলা" নামে কোন ব্যাক্তির অস্তিত্ব নেই ইতিহাসে। ইতিহাসে "আগিওস-নিকোলায়োস" নামে একজন অনেক প্রভাবশালী খ্রিস্টান সাধু ছিলেন। এ কারণেই তুরস্কের সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক গির্জা ও শহরের নামকরণ করা হয়েছে তার নামে এবং তার অনেক অলৌকিক ঘটনা খ্রিস্টান বইয়ে উল্লেখ আছে।
কুরলুস উসমান সিরিজে "আয়া নিকোলা" নামে একজন বাইজেন্টাইন টেকফুর কে একজন খলনায়ক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ইতিহাস থেকে আমরা তার সম্পর্কে তেমন বেশি তথ্য পাই না, যে সকল তথ্য পাই তা সবই "আগিওস-নিকোলায়োস" এর নামে।
"আয়া নিকোলা" এর সম্পর্কে জেনেনি, যে "আয়া নিকোলা" এর সম্পর্কে ইতিহাস কি বলে?
নামঃ "আয়া নিকোলা"
জন্মঃ নির্দিষ্ট করে কোন সাল জানা যায় না
মৃত্যুঃ ১২৯৯ খ্রিষ্টাব্দ (আয়া নিকোলা)
"আয়া নিকোলা" এর জন্মস্থান, কোথায় তাকে দাফন করা হয়েছে, তার মা-বাবা, ছেলে-মেয়ে সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না।
বিখ্যাত বাইজেন্টাইন ইতিহাসবিদ "জর্জ প্যাচিমেরেস" এর লেখা ইতিহাসে "আয়া নিকোলা" এর সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেছেন! তিনি বলেন যে "আয়া নিকোলা" ইনেগোলের দূর্গের টেকফুর ছিলেন। শুধুমাত্র মুসলিম ঐতিহাসিকদের রচনায়ই তার সম্পর্কে কিছু বর্ননা পাওয়া যায়। এর সবচেয়ে বড় কারণ মুসলিম ঐতিহাসিকরা উসমান গাজীর যুগকে একটি ঐতিহাসিক কৃষ্ণগহ্বর বলে অভিহিত করেন। আর এর কারণ হল উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্থানের প্রথম ইতিহাস লেখা হয়েছে উসমান গাজীর মৃত্যুর একশ বছর পরে। এখন প্রশ্ন থেকে যায় যে
"আয়া নিকোলা" কে?
উসমান গাজীর সাথে তার কি সম্পর্ক ছিল?
আমরা ঐতিহাসিক "আসিক-পাসাজাদা" এর লেখা তেভারিহ-ই আল-ই ওসমান বইটিতে এই উত্তরটি খুঁজবো। তেভারিহ-ই আল-ই ওসমান বইটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাসের ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
"আয়া নিকোলা" এবং উসমান গাজীর জীবদ্দশায় তাদের দুজনের মধ্যে মূলত দুটি বড় আকারের যুদ্ধ হয়েছে।
১. আর্মেনিয়ান-বেলির যুদ্ধ
২. ডোমানিকের যুদ্ধ
(আমরা বেশির ভাগ মানুষই ইনেগোল বলতে শুধু ইনেগোল দূর্গকেই বুঝি আসলে না ইনগোল হলো বুরসা জেলার একটি শহরের নাম এবং ঐ শহরে একটি দূর্গ আছে তার নাম ইনেগোল দূর্গ, আর ইনেগোল দূর্গের টেকফুর বলতে সমস্ত শহরের টেকফুরকেই বুঝায়। টেকফুর শব্দের অর্থ গভর্নর।)
আর্মেনিয়ান-বেলির যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিঃ
পক্ষ্য: বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য এবং উসমানী সাম্রাজ্য
সন:১২৮৪ খ্রিষ্টাব্দ
যুদ্ধের স্থান: বুর্সা বিভাগের ইনেগোল জেলার হামজাবে গ্রামে।
যুদ্ধের কমান্ডার: বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের "আয়া নিকোলা" এবং উসমানী সাম্রাজ্যর উসমান গাজী
সৈন্যসংখ্যা: বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সৈন্য ১০০০ জন এবং উসমানী সাম্রাজ্যের সৈন্য ১২০ জন
হতাহত: বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অনেক সৈন্য মারা গেছে নির্দিষ্ট সৈন্য সংখ্যা বলা যায় না এবং উসমানী সাম্রাজ্যের তুলনামূলক অনেক কম সৈন্য মারা গেছে
যুদ্ধের পরিনতি: বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনী, উসমানী সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনীর অসংখ্য সৈন্য এই যুদ্ধে মারা গিয়েছিল। এই যুদ্ধের মাধ্যমে উসমানী সাম্রাজ্যের জন্য ইনেগোল বিজয়ের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে
(এখানে উসমানী সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনী বলতে কায়ী গোত্রের সেনাবাহিনী কে বুঝানো হয়েছে কারন উসমানী সাম্রাজ্য অনুষ্ঠানিকভাবে ১২৯৯ খ্রিষ্টাব্দে আত্মপ্রকাশ করে)
এটি ১২৮০ খ্রিষ্টাব্দের কথা যখন কায়ী গোত্র গ্রীষ্মে ডোমানিকে এবং শীতকালে সোগুতে আরতুগ্রুল গাজীর নেতৃত্বে সুরক্ষায় বাস করত এবং আরতুগ্রুল গাজী বিলেসিক দূর্গের টেকফুরের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করেন। আরতগ্রুল গাজীর মৃত্যুর পর ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে উসমান গাজী কায়ী গোত্রের নেতা হন। আরতুগ্রুল গাজীর মৃত্যুর পর উসমান গাজীর আমলেও বিলেসিক টেকফুর তার ভালো উদ্দেশ্য বজায় রেখেছিল। সে সময় উসমান গাজীর সাথে বাইজেন্টাইন প্রতিবেশীদের সাথেও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। প্রকৃতপক্ষে কায়ী গোত্র ডোমানিক এবং সোগুতের মধ্যে স্থানান্তরিত হওয়ার সময় তারা বিলেসিক টেকফুরের কারণে তাদের জিনিসপত্র এবং জীবন হারানোর বিষয়ে চিন্তা করেনি। বিপরীতে "আয়া নিকোলা" ডোমানিক এবং সোগুতকে তার নিজের কব্জায় আনার জন্য, যাওয়া আসার রাস্তা নষ্ট করে ফেলবার এবং তুর্কিদের জিনিসপত্র ও পশুদের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করেন।
উসমান গাজী গোত্রের নেতা হওয়ার পর ১২৮৪ সালে তার ১২০ অশ্বারোহীর সৈনিকদের সাথে আহি পর্বতের আশপাশ পরিদর্শন জন্য সফরে গিয়েছিলেন। যা ইনিগোল সমভূমির উত্তরে অবস্থিত ছিল এবং এটি "সেবেল-ই আর্মেনিয়িয়ে" নামে পরিচিত ছিল। উসমান গাজীর করা এই পরিদর্শন ভ্রমণের কথা শুনে, ইনেগোল দূর্গের টেকফুর "আয়া নিকোলা" তুর্কিদের অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রভাব বিস্তার করার ফলে সতর্কতাসরূপ ইনেগোল শহরের ১০ কিলোমিটার দূরে হামজাবে গ্রামে তাবু স্থাপন করে, যাকে উসমানী সাম্রাজ্যের সূত্রে "আর্মেনিয়ান-বেলি" বলা হয়। "আয়া নিকোলা" এর নেতৃত্বে বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনী অতর্কিত হামলা করে উসমান গাজীর ভাতিজা সারু-বাতু-সাভচি বে এর ছেলে বায়হোজা কে মেরে ফেলে, উসমানী সাম্রাজ্যের সর্বপ্রথম শহীদ হিসেবে তাকেই গন্য করা হয় কারন, আর্মেনিয়ান-বেলির যুদ্ধই উসমানী সাম্রাজ্যের সর্বপ্রথম যুদ্ধ। উসমানী সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনী উসমান গাজীর নেতৃত্বে বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনীর উপর অসীম সাহস নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে যার ফলে বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনীর বিপুল সংখ্যক সৈনিক মৃত্যুবরন করে ও আহত হয় এবং বাদবাকি সৈনিকরা তাদের একা রেখে ছত্রভঙ্গ হয়ে দিকবেদিক পালিয়ে যায়।
ডোমানিকের যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিঃ
পক্ষ্য: বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য এবং উসমানী সাম্রাজ্য
সন: ১২৮৭ খ্রিস্টাব্দ
কমান্ডার: ইউনাইটেড বাইজেন্টাইন আর্মি (কারাচাহিসারের টেকফুর কালানোজ এবং ইনেগোল দূর্গের টেকফুর "আয়া নিকোলা") এবং উসমানী সাম্রাজ্যের উসমান গাজী
হতাহতঃ বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনীর অসংখ্য সৈনিক মারা যায় তার ভিতরে কারাচাহিসারের টেকফুর কালানোজও ছিল এবং উসমানী সাম্রাজ্যে তুনলা মূলক অনেক কম সংখ্যা সৈনিক মারা যায় তার ভিতরে উসমান গাজীর ভাই সারু-বাতু-সাভচি বে'ও ছিল
ফলাফলঃ উসমানী সাম্রাজ্যের বিজয়।
এই যুদ্ধটি উসমানী সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট ছিল। এই যুদ্ধের ফলে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়ে যায়। কারণ উসমানী সাম্রাজ্য ১২৯৯ সালেই হঠাৎ করে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
উসমান গাজী আর্মেনিয়ান-বেলির যুদ্ধের পরে তার ভাতিজা বায়হোজার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ১২৮৫ সালের দিকে ৩০০ জনের একটি বাহিনী নিয়ে একদিন রাতে হঠাৎ আক্রমণ করে অনেক বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনীর সৈন্য হত্যা করে কারাচাহিসার দূর্গটি দখল করে নেয়। যেটি ইনেগোল থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে ছিল এবং এমিরদাগ শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত। উসমানী সাম্রাজ্যের ইতিহাসে এটি ছিল দ্বিতীয় যুদ্ধ এবং এটিই প্রথম দুর্গ জয়। যেহেতু কারাচাহিসার খ্রিস্টান জনগণের বসবাস তাই উসমান গাজী এর শাসন মেনে নিয়েছিল বলে সেখানকার জনগণের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু ভাগ্যক্রমে কারাচাহিসারের টেকফুর কালানোজ পালিয়ে প্রান বাঁচাতে সক্ষম হয়। পরে ইনেগোল দূর্গের টেকফুর "আয়া নিকোলা" এর কাছে আশ্রয় নেয়।
ইনেগোল দূর্গের টেকফুর "আয়া নিকোলা" এবং অন্যান্য বাইজেন্টাইন টেকফুরদের সাথে নিয়ে "ইউনাইটেড বাইজেন্টাইন আর্মি" প্রতিষ্ঠা করেন। অবশেষে ১২৮৭ সালে ডিমানিক পাহাড়ের উপত্যকায় উসমানী সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনীর এবং "ইউনাইটেড বাইজেন্টাইন আর্মি" এর সাথে চুড়ান্ত যুদ্ধ হয়। এটিকে ডোমানিকের যুদ্ধ বলা হয়। এই যুদ্ধে উসমানীয়রা বিজয়ী হলেও উসমান গাজীর ভাই সারু-বাতু-সাভচি বে শহীদ হয় এবং এটি ছিল উসমানী সাম্রাজ্যের ইতিহাসে তৃতীয় যুদ্ধ। ডোমানিকের যুদ্ধে বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনীর পরাজিত হয়েছিল এবং কমান্ডার কালানোজ মারা গিয়েছিল কিন্তু ভাগ্যক্রমে ইনেগোল এর টেকফুর "আয়া নিকোলা" যুদ্ধ থেকে পালিয়ে প্রান বাঁচাতে সক্ষম হয়।
উসমান বে একটি অত্যন্ত কৌশলগত এবং বিপজ্জনক অবস্থায় অবস্থিত ছিল। সেই সময়ে উত্তরে বিলেসিক, ইয়েনিশেহির এবং দক্ষিণে ইজনিকের দুর্গ, পূর্বে হারমানকায়া এবং পশ্চিমে ইনেগোল দূর্গ ও বুর্সা।
"আসিক-পাসাজাদা" তার বইয়ে উসমান গাজীকে হত্যার জন্য একটি পরিকল্পনা করা কথা উল্লেখ করেছেন, যা "কাকির পিনারি" নামে পরিচিত। এই পরিকল্পনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ইনগোল দূর্গের টেকফুর "আয়া নিকোলা"। পরিকল্পনা টি ছিল বিলেসিক দূর্গের টেকফুর, ইয়েনিশেহির দূর্গের টেকফুরের বোনকে বিয়ের কথা বলে উসমানকে বিয়েতে ইয়েনিশেহির দূর্গে আমন্ত্রণ জানাবেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল উসমান বিয়েতে এলে তাকে বন্দী করে হত্যা করবে। কিন্তু হারমানকায়ার টেকফুর উসমান গাজীর বন্ধু "কোসে মিহাল" গোপনে উসমান গাজীর সাথে যোগাযোগ করে "আয়া নিকোলা" এর সব পরিকল্পনা বলেদিয়েছে।
উসমান গাজী কৌশলে বিলেসিক ও ইয়েনিশেহির টেকফুরদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেন। উসমান গাজী বিয়ের উপহার হিসেবে বিলেসিক টেকফুর কে প্রচুর মেষশাবক এবং ঘোড়াভর্তি মালামাল পাঠিয়েছিলেন। তিনি তাদের উপহারসমূহ এবং বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া মহিলাদের প্রাসাদে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন এবং বিবাহটি একটি খোলা জায়গায় বিলেসিকে চাকরপিনার নামক গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিলেসিকের টেকফুর উসমান গাজী অনুরোধ মেনে নিয়েছে। মালামালের পরিবর্তে উসমান গাজী ঘোড়াগুলিকে অস্ত্রশস্ত্রে বোঝাই করে এবং মহিলাদের পোশাক পরিহিত ৪০ জন সৈন্যসহ বিলেসিকে পাঠান। যে সৈন্যরা দুর্গে প্রবেশ করেছিল তারা সহজেই দূর্গটি দখল করেছিল কারণ দূর্গে কেবল রক্ষীরা দূর্গেটি পাহারায় ছিল। উসমান গাজী আচমকা এসে বিবাহস্থলে টেকফুরদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। বিলেসিক দূর্গের টেকফুর এর বোন বন্দী হয়েছিল যার নাম ছিল "হোলা ফিরা"। পরবর্তীতে "হোলা ফিরা" ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। এই মেয়েটির নাম উসমান গাজী পরিবর্তন করে "নিলুফার হাতুন" রাখেন। তাকে উসমান গাজী তার নিজের ছেলে ওরহানের স্ত্রীর জন্য বেছে নিয়েছিলেন। আর ওরহানকে বিয়ে করার পর তাদের একটি ছেলে হয় যার নাম ছিল প্রথম মুরাদ।
এইভাবে, বিলেসিক, ইয়েনিশেহির এবং ইনগোল ধীরে ধীরে জয় করা হয়েছিল। উসমান গাজী ইয়েনিশেহিরকে রাজ্যের রাজধানী করেন। তিনি বিজিত শহরগুলির পুনর্নির্মাণ করেছিলেন।
বাইজেন্টাইনদের চূড়ান্ত পরাজয়ের জন্য উসমান গাজী ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দে তুরগুত আল্পের নেতৃত্বে একদল সেনা পাঠান এবং তিনি ইনেগোল অবরোধ করেন। পরে তুরগুত আল্প ইনেগোল জয় করেন এবং তাকে সেই দূর্গে গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত করেন। তারগুত আল্পের হাতেই "আয়া নিকোলা" মারা যায়। কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত এই অঞ্চলটি উসমান গাজী তাকে দিয়েছিলেন, সেখানে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং প্রজাদের মন জয় করেছিলেন। তিনি সেখানে ৩৬ বছর শাসন করেছেন, এবং সেই সময় মানুষ শান্তি ও সমৃদ্ধিতে বসবাস করতো। প্রথম মুসলিম গভর্নর হিসাবে এই অঞ্চলটিকে তুরগুত-ইলি (তুরগুতের ভূমি) নাম দেওয়া হয়।
ইনেগোল জয়ের মধ্যে দিয়েই ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দে উসমানীয় সাম্রাজ্য আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
Writer:- Md Saymun Husain