![]() |
Romantic Love Story |
বেলা পরে এসেছে।সূর্য ঢলে পরেছে পশ্চিমের গায়ে। গলির মোড়ে সিএনজি থেকে নেমে বাসার দিকে হেঁটে চলেছে আবরার। এইটুকু রাস্তাও শেষ হতে চাইছে না। ক্লান্ত পা চলায় সায় দিচ্ছে না।
একটা বাড়ির দেয়ালের উপরে অজস্র কাক ডেকে চলেছে। বাসার সামনের রাস্তায় কতগুলো বাচ্চা ছেলে ক্রিকেট খেলছে। আবরার কাছাকাছি যেতেই তারা কিছু সময়ের জন্য থামলো। আবরার ওদেরকে পাশ কাটিয়ে বাড়ির ভেতরে চলে গেল।
.
ফ্ল্যাটের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অভ্যাশবশত একবার কলিং বেল বাজালো আবরার।তারপরেই দরজার তালা চোখে পরলো।সাথে সাথেই তার মন খারাপ হয়ে গেল।সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ব্যাগ হাতড়ে চাবি বের করলো।দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই কেমন একটা অস্বস্তি হতে শুরু করলো তার।বাড়িটা কেমন ফাঁকা পরে আছে,শুনশান নীরবতা।মনে হচ্ছে,এটা কোনো ভূতের বাড়ি।আবরার ভাবতেই পারছে না একসময় এই বাসায় সে একা একা থেকেছে।
ঘরে ঢুকে ফ্যান চালিয়ে দিয়ে ব্যাগটা বিছানায় রেখে চিৎ হয়ে শুয়ে পরলো আবরার।তুরা কেন ফিরলো না এখনো?সে কি জানে না আবরার কখন ফিরবে?আবরারের ভীষণ অভিমান হলো।সাথে কিঞ্চিৎ রাগও হলো।একা একা কি বাড়িতে থাকা যায়?কি করে একা একা সময় কাটবে তার?তুরাই বা কখন ফিরবে?সারাদিন পর বাড়িতে ফিরে বউকে দেখতে না পেলে যে এত খারাপ লাগে,সে আবরার আগে বোঝে নি।
আবরার উঠে বসলো।তুরাকে ফোন করতে চেয়েও করলো না।বিছানা ছেড়ে নেমে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালো সে।গোধূলির রঙিন আলো বারান্দায় এসে পরেছে।গোলাপ গাছটা সগৌরবে চারটা ফুটন্ত কলি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।গোধূলির আলোয় গাছটা খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।আবরার আকাশের দিকে তাকাচ্ছে।অভিমান মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।
আবরার পাশের চেয়ারে বসলো।হঠাৎই একটা প্রশ্ন নাড়া দিয়ে গেল তাকে।আচ্ছা?সে মাত্র কিছুসময় একা থাকতে পারছে না।অথচ তুরা সারাদিন একা একা কি করে থাকতো?তার নিজের তো সারাজীবন একা কাটিয়েই অভ্যাস।কিন্তু তুরার তো তা নয়।বাড়ি ভর্তি মানুষজনের মধ্যে বড় হয়েছে মেয়েটা।সারাটা দিন একা কি করে কাটাতো?ওরও কি অভিমান হতো?সেও কি এভাবে পথ চেয়ে বসে থাকতো বারান্দায়?আবরারের ফেরার সময় হলে তুরাও কি বারবার পথে উঁকি দিতো?নাকি রান্নাঘরে গিয়ে চা বানিয়ে ফেলতো?
আবরার উঠে দাঁড়ালো।সে ঠিক করেছে,আজকের চা'টা সে বানাবে।তাড়াতাড়ি জামা বদলে হাতমুখ ধুয়ে নিয়েই আবরার রান্নাঘরের দিকে পা বাড়ালো।
__________
আবরার চা কাপে ঢেলে চিনি মেশাচ্ছে।কলিং বেল বেজে উঠেছে।আবরার চামচ রেখে দরজার দিকে পা বাড়ালো।হাসিমুখে দরজা খুলতেই তুরা উদ্বিগ্ন হয়ে বলল,
"সরি,সরি!তুমি অনেকক্ষণ এসেছ,না?আমি আসলে তাড়াতাড়িই বেরিয়েছিলাম।কিন্তু রাস্তায় এত...."
তুরা কথা শেষ করতে পারলো না।আবরার তাকে থামিয়ে দিলো।মৃদু হেসে বলল,
"এত কৈফিয়ত দিতে হবে না,মিসেস।ভেতরে এসো তো।"
তুরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো।সাথে সাথে তার মনটা স্নিগ্ধতায় ভরে গেল।হাসিমুখে ভেতরে ঢুকলো সে।আবরার দরজা বন্ধ করে দিলো।
ভেতরে যেতে যেতে তুরা বলল,
"আমি হাতমুখ ধুয়ে চা বানিয়ে দিচ্ছি।তুমি আমাকে পাঁচটা মিনিট দাও।"
আবরার হেসে বলল,
"আচ্ছা।"
তুরা ঘরে চলে গেল।আবরার চায়ের কাপ দুটো নিয়ে ঘরে গেল।টেবিলে কাপ সাজিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো।
তুরা ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে চমকে গেল।দ্রুত পায়ে এগিয়ে এসে বলল,
"তুমি চা বানিয়ে ফেলেছ?"
আবরার মৃদু হেসে উত্তর দিলো,
"হ্যাঁ,বানিয়ে ফেললাম।"
তুরা আবরারের পাশে বসলো।সে দারুণ অবাক হয়েছে।ভীষণ রকমের ভালোও লাগছে।আবরার বলল,
"খেয়ে বলো কেমন হয়েছে।"
তুরা চায়ে একবার চুমুক দিয়ে বলল,
"খুব ভালো হয়েছে।"
"তোমার অফিস কেমন হলো?"
"ভালো।অফিসের কাজকর্ম খুব একটা কঠিন নয়।মনে হয়,সহজই।"
আবরার হেসে ফেললো।তুরা জিজ্ঞেস করলো,
"আমাদের বেড়াতে যাওয়ার কি হলো?"
আবরার ইতস্তত করে বলল,
"আমার ছুটি পেতে একটু দেরি হবে।"
"আচ্ছা,ঠিক আছে।অসুবিধা নেই।"
তুরা উঠে দাঁড়ালো।চায়ের কাপ দুটো হাতে তুলে নিয়ে বলল,
"আমি যাই।রাতের রান্না করি।"
আবরার উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
"চলো,আমিও তোমাকে সাহায্য করি।"
"খবরদার!আমার রান্নাঘরে তুমি আসবে না।তুমি সাহায্য তো করো না,উল্টো আমার কাজ বাড়িয়ে দাও।"
আবরার হেসে উঠলো।তুরা ভুরু কুঁচকে বলল,
"নির্লজ্জের মতো হাসবে না তো।"
বলেই রান্নাঘরের দিকে চলে গেল।আবরারও তুরার পিছু নিলো।
আবরার রান্নাঘরের এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে।তুরা তরকারি কুটতে শুরু করেছে।সে বুঝতে পারছে যে আবরার একদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে এবং মিটিমিটি হাসছে।তুরা একবার ভাবলো আবরারের দিকে তাকিয়ে রেগে কিছু বলবে।কিন্তু সে সিদ্ধান্ত বদল করলো।কারণ এতে কোনো লাভ নেই।কাজেই তুরা রান্নায় মনোযোগ দিলো।
কলিং বেল বেজে উঠলো।আবরার তুরা একে অপরের দিকে তাকালো।তুরা বলল,
"কে এসেছে দেখো তো।"
আবরার দরজার দিকে গেল।দরজা খুলতেই রায়নাকে দেখতে পেলো।আবরার হাসিমুখে বলল,
"বুবু,তুই?দুলাভাই আর টুকুন কোথায়?"
রায়না মুখ ফুলিয়ে বলল,
"আমি কি জানি ওরা কোথায়?"
আবরার থতমত খেয়ে বলল,
"ঝগড়া করে এসেছিস,না?"
রায়না উত্তর দিলো না।মুখভার করে ভেতরে চলে গেল।আবরার দরজা বন্ধ করে দিয়ে ড্রয়িং রুমে গেল।বোনের পাশে বসে বলল,
"কি হয়েছে,বুবু?"
রায়না মলিন মুখে জবাব দিলো,
"তোর দুলাভাইয়ের কাছে আমার কোনো দাম নেই আসলে।অবশ্য আমার নিজের ছেলেও তো আমাকে চায় না।"
আবরার অবাক হয়ে বলল,
"এসব কি বলছিস,বুবু?"
রায়না উত্তর দিলো না।তুরা রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলো।উচ্ছ্বসিত হয়ে বলল,
"আপু!কেমন আছ?"
রায়না উত্তর দিলো না।তুরা রায়নার কাছে এসে বসলো।বলল,
"একাই এলে?"
আবরার বলল,
"বুবু ঝগড়া করে চলে এসেছে।তাই না,বুবু?"
রায়না রাগী গলায় বলল,
"তোর কি ধারণা?আমি সবসময় ঝগড়া করি?"
তুরা ইশারায় আবরারকে চুপ করতে বলল।তারপর রায়নার কাঁধে হাত রেখে আদুরে গলায় বলল,
"কি হয়েছে,আপু?আমাকে কি বলবে?"
রায়না মলিন গলায় বলল,
"তনয় বলেছে আমি নাকি বাড়িতে সবসময় অযথা ঝামেলা করি।তাই চলে এসেছি।আমি না থাকলে তো ঝামেলাও হবে না।ওরা শান্তিতে থাকতে পারবে।"
"দুলাভাই এ কথা বলেছে?"
"হ্যাঁ,বলেছেই তো।আচ্ছা,তুরা?তুই বল,টুকুন কি আমার ছেলে না?ওর একার নাকি?"
"একদম না।টুকুন তো তোমারই বেশি।"
রায়না এবার কাঁদোকাঁদো মুখে বলল,
"আমার ছেলেকে কি একটু শাসন করার অধিকার নেই আমার?"
"অবশ্যই আছে,আপু।"
"তাহলে কেন আমার আর আমার ছেলের মাঝখানে তনয় চলে আসবে?আমি তো শুধু টুকুনকে একটু বকেছি।তাই বলে ও আমায় এত বড় কথা বলবে?"
তুরা রায়নার দুই কাঁধে হাত রেখে গালের সাথে গাল লাগিয়ে বলল,
"দুলাভাই কি বলেছে তোমাকে?"
রায়নার প্রায় কেঁদে ফেলার উপক্রম।সে কোনোমতে বলল,
"ও বলেছে যে আমি নাকি অযথা টুকুনকে বকাবকি করি।তাই টুকুন নাকি ওর একার ছেলে।আমার কোনো অধিকার নেই ওকে বকা দেওয়ার।এত বড় কথা ও আমাকে বলতে পারলো?"
তুরা স্বাভাবিক গলায় বলল,
"খুব অন্যায় করেছে।"
"আর টুকুন কি বলেছে জানিস?আমি নাকি ওকে একটুও ভালোবাসি না।শুধু ওর বাবা ওকে ভালোবাসে।বেইমান ছেলে!সেজন্য আমি ওদের ছেড়ে চলে এসেছি।থাকুক ওরা।আমি আর ফিরবো না।"
আবরার আর তুরা একে অপরের দিকে তাকালো।একমুহূর্ত তাকিয়ে থেকেই দুজন হাসিতে ফেটে পরলো।রায়না আশ্চর্য হয়ে বলল,
"তোরা!তোরা হাসছিস কেন?আমার কষ্টের কথা শুনে তোরা হাসছিস?আমি কিন্তু তোদের ছেড়েও চলে যাবো।"
তুরা হাসি থামিয়ে বলল,
"আপু,তুমি আর দুলাভাই দুজনেই পাগল।"
আবরার বলল,
"ছেলেকে বকাঝকা করা নিয়ে ঝগড়া করে যে কেউ বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে,আমি তা ভাবতেই পারি নি।অবশ্য ভালোই হয়েছে।অনেকদিন তোরা ঝগড়া করিস নি।"
তুরা উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
"রান্না বসিয়ে এসেছি।আমি যাই।তুমি কি কিছু খাবে,আপু?"
রায়না অভিমানের সুরে বলল,
"না।"
আবরার বলল,
"তুমি তাড়াতাড়ি রান্না করো,তুরা।দুলাভাইয়ের জন্যও রান্না করো।দুলাভাই এলো বলে।"
তুরা হেসে রান্নাঘরে চলে গেল।রায়না আড়চোখে আবরারের দিকে তাকালো।আবরার হেসে উঠলো।রায়না মুখ ফুলিয়ে বসে রইলো।
.
সন্ধ্যা ছয়টা।আম্বিয়া বেগম ভ্রু কুঁচকে বসে আছেন।উনার সামনে বসে আছে তনয়।ঘন্টাখানেক আগে তিনি ছেলের বাসায় এসেছেন।এসে থেকেই দেখছেন রায়না নেই।তনয় কোনোভাবে ব্যাপারটা ম্যানেজ করবে ভেবেছিল।কিন্তু হলো না টুকুনের জন্য।টুকুন তার দাদিকে বলে দিয়েছে যে,মা ঝগড়া করে চলে গিয়েছে।তনয় মাথা নিচু করে বসে আছে।টুকুন একটা বদের হাড্ডি তৈরি হয়েছে।রায়না ঠিকই বলে,ছেলেকে এত আহ্লাদ দেওয়া ঠিক নয়।
আম্বিয়া বেগম বিরক্তি নিয়ে বললেন,
"আমি কিছুই বুঝতে পারছি না,তনয়।কি এমন ঝগড়া হলো যে বৌমা একেবারে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল?"
তনয় আমতা আমতা করে বলল,
"তেমন কিছু না,মা।এটা খুবই ছোটখাটো ঝগড়া।"
"তাহলে বৌমা চলে গেল কেন?"
"এমনিই চলে গেছে,মা।"
"এ আবার কেমন কথা?ছেলেকে ফেলে এভাবে চলে গেল?"
"মা,তুমি চিন্তা করো না।রায়না আবার ফিরে আসবে।আমি ওকে নিতে গেলেই চলে আসবে।"
আম্বিয়া ভ্রু কুঁচকে বললেন,
"তোদের সংসারের মাথামুন্ডু কিছুই আমি বুঝি না,তনয়।"
তনয় দ্বিধা নিয়ে বলল,
"ইয়ে...মা,রায়নাকে নিয়ে আসা দরকার।আমি কি যাবো?"
আম্বিয়া ধমক দিয়ে বললেন,
"যাবি না তো কি করবি?যা গিয়ে নিয়ে আয়।যত্তসব!"
কথা শেষ করে আম্বিয়া বেগম টুকুনকে নিয়ে ঘরে চলে গেলেন।তনয় বড় করে নিঃশ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়ালো।তারপর বাইরে বেরিয়ে গেল।
________________________
রায়না গম্ভীর মুখে বিছানায় বসে আছে।তনয় রায়নার সামনে বসে আছে।তনয়ের মুখ হাসিহাসি।সে বলল,
"তুমি ঠিকই বলো,রায়না।তোমার ছেলেটা একেবারে বদের হাড্ডি।"
রায়না অন্যদিকে দৃষ্টি রেখেই প্রশ্ন করলো,
"টুকুন কোথায়?"
"বাড়িতে।"
রায়না আতঙ্কিত হয়ে বলল,
"বাড়িতে মানে?তুমি আমার ছেলেটাকে একা একা রেখে চলে এসেছ?"
"আরেহ,না!মা এসেছে তো।মায়ের কাছে আছে।"
"মা এসেছেন!কখন?"
"তুমি চলে আসার কিছুক্ষণ পরে।"
"মাকে বাড়িতে রেখে তুমি চলে এলে?"
"মাকে বলে এসেছি তো।"
রায়না কথা বলল না।কেন যেন ভীষণ রাগ হচ্ছে তার।তনয় রায়নার দিকে এগিয়ে গেল।হাত ধরে বলল,
"বাড়ি চলো,রায়না।প্লিজ।"
রায়না হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বলল,
"কেন যাবো?আমি তো অযথা ঝামেলা করি।তাই না?"
"আমি তো কথাটা মজা করে বলেছি,রায়না।ভুল হয়ে গেছে।ক্ষমা করে দাও।বাড়ি চলো।তোমাকে ছেড়ে টুকুন থাকবে কি করে বলো?"
"কেন?টুকুন একা তোমার তো।তোমার সাথেই থাকবে।"
তনয় আরেকটু কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল,
"আর আমার কি হবে?"
"ঢং করবে না।সরে যাও।"
"বলছি তো ভুল হয়েছে।আর কখনো এভাবে বলবো না।বাড়ি চলো।প্লিজ,চলো।যদি না যাও তাহলে কিন্তু....."
"কি?"
"তাহলে আমি সারারাত বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকবো।টুকুনও সারারাত না খেয়ে থাকবে।কারণ ও তো তোমার হাতে ছাড়া খায় না।যাই,আমি তাহলে রাস্তাতেই রাতটা কাটাই।"
তনয় উঠে চলে যাচ্ছিলো।রায়না গম্ভীর স্বরে বলে উঠলো,
"থাক,তার কোনো দরকার নেই।"
তনয় দৌড়ে এসে রায়নার পাশে বসলো।বলল,
"আমি জানতাম তুমি বেশিক্ষণ রেগে থাকতে পারবে না।"
"এত আনন্দিত হওয়ার কিছু নেই।আমি না গেলে তো তোমরা বাপ ছেলে না খেয়ে মরবে।তাই ফিরে যাচ্ছি।আর কোনো কারণ নেই।"
তনয় হেসে ফেললো।রায়নাকে বুকে চেপে ধরে বলল,
"তুমি সত্যিই পাগলী।"
রায়না কোনো কথা বলল না।শুধু তার ঠোঁটের কোণায় ফুটে উঠলো অবাধ্য লজ্জার হাসি।আড়াল থেকে এই দৃশ্য দেখে হাসি ফুটে উঠলো আবরার আর তুরার মুখেও।
.
চলবে......
Writer: Alo Rahman
