> এই আলো আঁধারীর পথ পর্ব ৩৪ - Romantic Love Story - Boipoka365
-->

এই আলো আঁধারীর পথ পর্ব ৩৪ - Romantic Love Story - Boipoka365


Romantic Love Story


ঘড়ির কাঁটা এগারোটায় গড়াতেই সূর্য মাথার উপরে চলে এসেছে।ঝাঁ ঝাঁ করা রোদ গোটা শহরটাকে পুড়িয়ে ফেলছে।তুরা  বাজার থেকে ফিরছে।রিকশার হুড তুলে দেওয়া।তবুও সামনে থেকে রোদ এসে গায়ে লাগছে।তুরা ওড়না দিয়ে মুখের ঘাম মুছছে।অসহ্য গরম!

রিকশা থেকে নেমে বাড়ির ভেতরে যেতেই তুরা চমকে গেল।দারোয়ানের পাশে একটা টুলে মাহবুব সাহেব বসে আছেন।তুরা দ্রুত পায়ে সেদিকে এগিয়ে গেল।উচ্ছ্বাস নিয়ে বলল, 

"বাবা!তুমি কখন এসেছ?"

মাহবুব সাহেব উঠে দাঁড়ালেন।তুরার মাথা থেকে পা পর্যন্ত একবার দেখে নিলেন।তুরার হাতে একটা বাজারের ব্যাগ।ঘেমে নেয়ে বিশ্রী অবস্থা।উনি জানতে চাইলেন,

"তুই কোথায় গিয়েছিলি?"

তুরা হেসে উত্তর দিলো, 

"বাজারে,বাবা।চলো,ভেতরে চলো।"

মাহবুব সাহেব অবাক দৃষ্টিতে তুরার দিকে তাকিয়ে আছেন।উনার কন্যা এই কড়া রোদে ভারী বাজারের ব্যাগ হাতে রিকশা করে নামছে সেটা মানতে উনার বেশ কষ্ট হচ্ছে।অথচ একসময় উনার এই মেয়েটা এসি গাড়ি ছাড়া চলতেই পারতো না।উনি কোমল গলায় জিজ্ঞেস করলেন, 

"বাজার কি তুই করিস,মা?"

তুরা মুখে হাসি টেনে বলল, 

"আরেহ না,বাবা।ওকে বললেই সব এনে দেয়।আসলে বাসায় একা একা ছিলাম,আর কিছু কেনাকাটা দরকার ছিল।তাই ভাবলাম যাই।তুমি ভেতরে চলো তো।"

তুরা বাবার হাত ধরে ভেতরের দিকে পা বাড়ালো।তখনই বাবার হাতে একটা প্যাকেট খেয়াল করে জানতে চাইলো,

"এটা কি এনেছ,বাবা?"

মাহবুব সাহেব হেসে উত্তর দিলেন, 

"রসমালাই এনেছি।তুই খেতে ভালোবাসিস তাই।"

তুরা বাচ্চাদের মতো করে বলল, 

"এজন্যই তুমি এলে আমার এত্ত ভালো লাগে,বাবা।তুমি এলে আমার রসমালাইও চলে আসে।"

মাহবুব সাহেব হেসে ফেললেন।ততক্ষণে লিফট চলে এসেছে।তুরা বাবাকে নিয়ে লিফটের ভেতরে ঢুকলো।

তুরা ড্রয়িং রুমে বাবাকে বসিয়ে বলল, 

"তুমি বসো,বাবা।আমি আসছি।"

মাহবুব সাহেব বসে রইলেন।উনার মনটা খচখচ করছে।অবশ্য এই জীবনটা তো উনি নিজেই তুরাকে দিয়েছেন।আবরারকে উনিই পছন্দ করেছিলেন।তুরার মামার কথা শুনে আবরারের সাথে কথা বলেছিলেন তিনি।ছেলেটার সততায় মুগ্ধ হয়েছিলেন।তারপরেই তুরার জন্য আবরারকে ভেবেছিলেন।তুরাকে বিলাসবহুল জীবন দেওয়ার থেকে একটা সাধারণ সুন্দর জীবন দেওয়াটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল উনার কাছে।আবরারের সাথে থাকলে যে মেয়েটার জীবন সুন্দর হবে সে ব্যাপারে উনার বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছিল না।

তুরা এক গ্লাস শরবত হাতে নিয়ে ফিরে এলো।সে এর মধ্যেই হাত মুখ ধুয়ে ফেলেছে,জামা বদলেছে।শরবতের গ্লাসটা এগিয়ে দিয়ে সে বলল, 

"বাবা,নাও।তোমার জন্য ঠান্ডা ঠান্ডা লেবুর শরবত বানিয়েছি।"

মাহবুব সাহেব হাসিমুখে গ্লাসটা নিয়ে শরবত মুখে নিলেন।তুরা জিজ্ঞেস করলো,

"বাড়ির সবাই ভালো আছে,বাবা?"

মাহবুব সাহেব উত্তর দিলেন, 

"হ্যাঁ,মা।ভালো আছে।"

"তুমি এসেছ আমার খুব ভালো লাগছে।তুমি তো আমার বাসায় আসোই না।"

মাহবুব সাহেব হাসলেন।বললেন, 

"কাজে ব্যস্ত থাকি তো।তাই কোথাও তেমন যাওয়া হয় না রে মা।"

"বাবা,তুমি অনেক ব্যস্ত থেকেছ।এখন একটু কম কম ব্যস্ত থাকবে তো।তোমার বয়স হয়েছে না?"

মাহবুব সাহেব হেসে উঠে বললেন, 

"ঠিক বলেছিস,মা।আমার বয়স হয়েছে।একটু যাতে কম ব্যস্ত থাকা যায় সেজন্যই এসেছি তোর কাছে।"

তুরা বুঝতে পারলো না।জানতে চাইলো, 

"মানে?"

মাহবুব সাহেবের শরবত খাওয়া শেষ।উনি গ্লাসটা টেবিলে নামিয়ে রেখে বললেন, 

"তুরা,তুই অফিসে জয়েন কর।"

আচমকা এমন প্রস্তাবে তুরা হকচকিয়ে গেল।অস্ফুটে বলল, 

"কি?"

"হ্যাঁ,তুরা।তুই তো সারাদিন একা একা বাড়িতেই থাকিস।সেই সময়টা অফিসে দিবি।আর আমিও তো একা একা আর সবদিক সামলে উঠতে পারি না।"

তুরা কিছুটা সময় নিয়ে বলল, 

"বাবা,তোমার মেয়ে আমি।তোমার প্রতি আমার একটা দায়িত্ব নিশ্চয়ই আছে।আমি তোমার কথা রাখতে চেষ্টা করবো।কিন্তু একটু সময় দাও।আমি ওর সাথে কথা বলে তোমায় জানাবো।"

মাহবুব সাহেব মৃদু হেসে বললেন, 

"আবরারের সাথে আমি কথা বলেছি।এখানে আসার আগে ওর অফিসে গিয়েছিলাম আমি।"

তুরা বিস্ময় নিয়ে বলল, 

"তুমি কথা বলে ফেলেছ?"

"হ্যাঁ।"

"ও কি বলেছে?"

"ও বলেছে যদি তুই চাস তাহলে অবশ্যই জয়েন করবি।ওর এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।"

তুরা খানিকটা চিন্তায় পরে গেল।আবরার কথাটা রাগ করে বলেছে নাকি স্বাভাবিকভাবেই বলেছে,সেটা তুরা ধরতে পারছে না।সে ইতস্তত করে বলল, 

"ঠিক আছে,বাবা।আমি তবুও ওর সাথে একবার কথা বলে দেখি।"

মাহবুব সাহেব কিছু বললেন না।মেয়ের খুব একটা উৎসাহ না দেখে তিনি কিঞ্চিৎ ব্যথিত হয়েছেন।বিয়ে হয়ে গেলে মেয়ের উপর বাবার আর আগের মতো দাবী থাকে না।ব্যাপারটা নিষ্ঠুরতা।যে মেয়েকে একদিন বাবা বুকে নিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেয়,সেই মেয়ের উপর সামান্যতম অধিকার থাকা উচিত;অবশ্যই উচিত।

মাহবুব সাহেব মন খারাপ করে উঠে দাঁড়ালেন।মৃদু গলায় বললেন, 

"যাই,মা।অফিসে যেতে হবে।আজ সকাল থেকে অফিসে যাওয়া হয় নি।"

তুরা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, 

"এক্ষুনি চলে যাবে,বাবা?"

"হ্যাঁ, মা।যাই।"

মাহবুব সাহেব এক পা এগিয়ে গেলেন।তারপর পিছনে ঘুরে বললেন,

"রসমালাই কিন্তু মনে করে খাস।"

তুরা বাবার দিকে এগিয়ে গেল।বাবার হাত ধরে বলল, 

"বাবা,তুমি কি কষ্ট পেয়েছ?তুমি কষ্ট পেয়ো না,বাবা।আমি অফিসে জয়েন করবো।"

তুরার চোখে পানি চলে এসেছে।মাহবুব সাহেব হাসার চেষ্টা করে বললেন, 

"আরে পাগলী!কাঁদার কি হলো?আমি কষ্ট পাই নি।"

"তাহলে তুমি এখনই চলে যাচ্ছ কেন?"

"অফিসে যেতে হবে তো,মা।তুই দেখছি এখনও বাচ্চাদের মতো কাঁদিস।"

"একদিন অফিসে না গেলে কিছু হবে না।তুমি এখন যেও না,বাবা।দুপুরে খেয়ে যাও।আজ আমি মাংস রান্না করবো।"

মাহবুব সাহেব বসে পরলেন।বললেন, 

"ঠিক আছে।যা গিয়ে রান্না কর।তোর হাতের মাংস ভাত না খেয়ে আমি আজ কোথাও যাবো না।"

তুরার মুখে হাসি ফুটে উঠলো।সে চোখ মুছে রান্নাঘরে চলে গেল।মাহবুব সাহেবের মন শান্ত হয়ে গেছে।মেয়ে পর হয়ে যায় নি।বাবার জন্য মেয়ের ভালোবাসা এখনও একই রকম আছে।

.


দুপুর দুটো বেজেছে।রায়না টুকুনকে খাইয়ে দিচ্ছে।টুকুন ঠোঁট চেপে মুখ বন্ধ করে রেখেছে।কিছুতেই খেতে চাচ্ছে না।রায়না ধমক দিয়ে বলল, 

"টুকুন!হা করো বলছি।নইলে কিন্তু থাপ্পড় মারবো।"

টুকুন তবুও হা করলো না।রায়না বলল, 

"এমন করলে কিন্তু আমি তোমার বাবার কাছে নালিশ করবো।"

টুকুন হেসে উঠে বলল, 

"বাবা আমাকে কখনো বকা দেয় না।"

টুকুনের কথা বলার সুযোগে রায়না তার মুখে ভাত দিয়ে দিলো।টুকুন সেটা ফেলে দিতে যাচ্ছিলো।মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থেমে গেল।

রায়না ক্লান্তির নিঃশ্বাস ফেললো।ছেলেকে খাওয়ানো তার কাছে রীতিমতো যুদ্ধ করার সমান।হঠাৎ করে কলিং বেল বেজে উঠলো।রায়না সেদিকে মনোযোগী হতেই টুকুন দৌড়ে পালিয়ে গেল।রায়না চিৎকার করে উঠলো,

"টুকুন!খাওয়া শেষ করে যাও।"

টুকুন শুনলো না।রায়না প্লেটে বাকি থাকা খাবারগুলো ঢেকে রাখলো।তারপর হাত ধুয়ে দরজার দিকে যেতে শুরু করলো।

রায়না সামান্য বিরক্ত বোধ করছে।এই ভরদুপুরে কেউ কারোর বাড়ি যায়?মানুষের সময় জ্ঞান এত কম কেন?

রায়না দরজা খুললো।অতিথিকে দেখে হকচকিয়ে গেল।দরজায় আসাদ সাহেব দাঁড়িয়ে আছেন।রায়না হতভম্ব হয়ে বলল, 

"আপনি!এখানে?"

আসাদ সাহেব ইতস্তত করে বললেন, 

"এক গ্লাস পানি হবে,মা?"

রায়না দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, 

"ভেতরে আসুন।"

আসাদ সাহেব ভেতরে ঢুকলেন।রায়না উনাকে বসার ঘরে নিয়ে গেল।উনি সোফায় বসে বললেন, 

"অসময় এসে তোমাকে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত।"

রায়না কিছু বলল না।সে রান্নাঘরের দিকে গেল।এক গ্লাস পানি নিয়ে ফিরে এলো।আসাদ সাহেব পানিতে মাত্র একবার চুমুক দিলেন।রায়না শীতল গলায় প্রশ্ন করলো,

"এবার কারণটা বলুন।আমি জানি আপনি এমনি এমনি আসেন নি।"

আসাদ সাহেব হেসে বললেন, 

"হ্যাঁ,আমি এমনি এমনি আসি নি।আমি আসলে এসেছি কিছু কথা বলতে।"

রায়না স্বাভাবিকভাবে বলল, 

"বলুন।"

"শেষ বয়সে এসে আমার মনে হয়েছে কথাগুলো তোমাদের দুই ভাই বোনকে জানানো দরকার।নাহলে মহাপাতক হবো।"

রায়না বিরস মুখে বলল, 

"আমার ভাইকে এখন আপনি পাবেন না।ও এখন অফিসে আছে।"

"হ্যাঁ,জানি।আমি আজ বিকালে আবরারের কাছে যাবো।তুমিও যদি আমার সাথে যেতে তাহলে উপকৃত হতাম।"

রায়না কিছু বুঝতে পারলো না।জিজ্ঞেস করলো, 

"কি বলবেন আপনি?"

"সেটা না হয় বিকেলেই বলবো।দয়া করে আমার কথাগুলো শুনো।কথা দিচ্ছি,আজকের পর আর কখনো তোমাদের বিরক্ত করবো না।আজ আসি।"

আসাদ সাহেব উঠে দাঁড়ালেন।রায়না ভদ্রতা দেখিয়ে বলল, 

"দুপুরবেলা না খেয়ে কারো বাড়ি থেকে যেতে নেই।"

আসাদ সাহেব হেসে বললেন, 

"এই যে তুমি কথাটা বললে,সেই অনেক আমার কাছে।আসি,ভালো থেকো।"

কথা শেষ করে আসাদ সাহেব চলে গেলেন।রায়না দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো।এই লোকটা ঠিক কি চায়,সেটা রায়না বুঝে উঠতে পারে না।

.


বিকাল পাঁচটা।আবরার একটু আগেই অফিস থেকে ফিরেছে।তুরা চুলায় চায়ের পানি বসিয়েছে।পানি ফুটে উঠতেই তাতে চা পাতা দিয়ে দিলো তুরা।তখনই আবরারের গলা পাওয়া গেল।আবরার চিৎকার করে তাকে ডাকছে।তুরা চুলা বন্ধ করে ঘরের দিকে পা বাড়ালো।

আবরার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল মুছছে।তুরা ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে বলল, 

"কি হয়েছে?ডাকলে কেন?"

আবরার তুরার দিকে তাকিয়ে বলল, 

"আজ অনেক গরম পরেছে না?"

তুরা ভ্রু কুঁচকে বলল, 

"এই কথা বলতে ডেকেছ?"

আবরার মুখ টিপে হেসে বলল, 

"অনেকক্ষণ তোমাকে দেখি নি।তাই ডেকেছি।তোমাকে দেখবো বলে।"

তুরা কপট রাগ দেখিয়ে বলল, 

"পাগলামি করার আর সময় পেলে না?"

তুরা চলে যাচ্ছিলো।আবরার ডেকে বলল,

"চলে যাচ্ছ কেন?শুনে যাও।তোমার সাথে কথা আছে।"

তুরা দাঁড়ালো।বলল, 

"কি কথা?"

"এদিকে এসো।বলছি।"

"কেন?দূর থেকে বললে সমস্যা কি?"

"কাছে এলেই বা সমস্যা কি?"

তুরা কপাল কুঁচকে বলল, 

"তুমি আজকাল বেশি কথা বলো।এত কথা শিখলে কোত্থেকে?"

"তোমার প্রেমে পরে শিখেছি।"

"ধুর!যাও।"

আবরার এবার তুরার দিকে এগিয়ে গেল।তুরার হাত ধরে এনে বিছানায় বসালো।নিজেও পাশে বসে বলল, 

"তুরা,চলো না আমরা কোথাও ঘুরতে যাই?"

"কোথায় যাবে?"

"পাহাড়ে বা সমুদ্রে।কোনটা বেশি পছন্দ তোমার?"

তুরা উচ্ছ্বাস নিয়ে বলে উঠলো, 

"সত্যি যাবে?চলো তাহলে পাহাড়ে যাই।"

তুরার উচ্ছ্বাস দেখে আবরারের ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠলো।সে বলল, 

"আচ্ছা,তুমি ঠিক করে ফেলো কোথায় যাবে।আমি অফিস থেকে ছুটি নেওয়ার চেষ্টা করছি।"

তুরা অনুরোধের সুরে বলল,

"চলো বান্দরবান যাই।নইলে সিলেটে চলো।"

"আচ্ছা।তুমি যা বলবে তাই হবে।"

তুরা আনন্দের আতিশয্যে আবরারকে জড়িয়ে ধরলো।আবরার তুরাকে আলতো করে ধরে বলল, 

"আজ সকালে বাবা এসেছিলেন আমার অফিসে।তুমি কি কিছু জানো?"

তুরা চোখ তুলে তাকিয়ে বলল, 

"জানি।বাবা এখানেও এসেছিল।তুমি যা বলবে তাই হবে।"

"আমি কি বলবো?তোমার যা ইচ্ছা।তুমি চাইলে জয়েন করো।আমার আপত্তি নেই।"

"মন থেকে বলছো?"

"হ্যাঁ।"

তুরা দ্বিধা নিয়ে বলল, 

"কিন্তু বাবার থেকে কিছু নেওয়া তো তুমি পছন্দ করো না।"

"দেখো তুরা,আমি তোমাকে তোমার বাবার কাছ থেকে কিছু নিতে বলছি না।শুধু দিতে বলছি।উনার বয়স হয়েছে।আর বৃদ্ধ বাবা মায়ের কাজে সাহায্য করা সন্তান হিসেবে তোমার দায়িত্ব।তুমি শুধু সেটুকুই করবে।"

তুরা মুচকি হেসে বলল, 

"আমি তোমার কথা বুঝতে পেরেছি।তুমি এত ভালো কেন বলো তো?"

আবরার কিছু বলার আগেই কলিং বেল বেজে উঠলো।আবরার বিরক্তি নিয়ে বলল, 

"আমি খেয়াল করেছি,যখনই তুমি আমার কাছে থাকো,তখনই বেলটা বেজে ওঠে।বেটা হিংসুক কলিং বেল!এই বেলটা এবার বদলেই ফেলবো।"

তুরা হেসে ফেললো।আবরারের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে দরজার দিকে পা বাড়ালো।

.



চলবে.......





Writer: Alo Rahman

NEXT ARTICLE Next Post
PREVIOUS ARTICLE Previous Post
NEXT ARTICLE Next Post
PREVIOUS ARTICLE Previous Post
 

Delivered by FeedBurner